বিজেপিতে জোর ধাক্কা! তৃণমূলে যোগ দিলেন পাহাড়ের বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা
তৃণমূলে যোগ দিলেন পাহাড়ের বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা। বৃহস্পতিবার কলকাতায় তৃণমূল ভবনে দলীয় পতাকা হাতে তুলে দেন শশী পাঁজা এবং ব্রাত্য বসু। আগামী মাসে রাজ্যসভার নির্বাচন রয়েছে। তার ঠিক মুখে বিষ্ণুপ্রসাদের তৃণমূলে যোগদান বিজেপির জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। বিষ্ণুপ্রসাদের তৃণমূলে যোগদানের সময় তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
কার্শিয়াঙের বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ দীর্ঘদিন ধরেই নিজের দলের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছিলেন। প্রায় দু’বছর ধরে তিনি একাধিকবার দলীয় অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দার্জিলিং কেন্দ্রে রাজু বিস্তাকে পুনরায় প্রার্থী করার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে ভোটেও লড়েছিলেন। সেই সময় থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব ক্রমশ বাড়তে থাকে।
এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলে রাজনৈতিক মহলে চর্চা চলছিল। এমনকি অসুস্থ হয়ে পড়লে শুভেন্দু ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছিলেন। শুভেন্দু তখন মন্তব্য করেছিলেন, “দলের সঙ্গে ওঁর হয়তো অভিমান হয়েছে। কিন্তু উনি তৃণমূলে যাবেন না।”
তবে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার বিষ্ণুপ্রসাদ আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। তাঁর এই পদক্ষেপে পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
আগামী মাসেই রাজ্যসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ঠিক তার আগে বিষ্ণুপ্রসাদের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান রাজনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিজেপির জন্য এই ঘটনাকে বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।
বিষ্ণুপ্রসাদের দলবদলের ফলে রাজ্যে বিজেপি বিধায়কের সংখ্যা কমে দাঁড়াল ৬৪। উল্লেখ্য, রাজ্যসভা নির্বাচনে বিধায়কদের ভোটের ভিত্তিতেই সাংসদ নির্বাচিত হন। সেই নিরিখে বিজেপির সংখ্যা কমে যাওয়া আগামী নির্বাচনে সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।
ফলে রাজ্যসভা ভোটকে সামনে রেখে বিজেপির কৌশল নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের শিবিরে এই যোগদানকে সাংগঠনিক শক্তিবৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
0 মন্তব্যসমূহ
Thank you so much for your kindness and support. Your generosity means the world to me. 😊